স্বপ্নের উড়ানে পাড়ি দিলেন আ্যথেলিট স্বপ্না বর্মন।
অমিতাভ গঙ্গোপাধ্যায়:রঙ নিউজ
৩১শে জুলাই সোশাল মিডিয়ায় একটা পোষ্ট’আমার জীবনের একটা কঠিন সিদ্ধান্ত। আ্যথেলেটিক্স জীবন আমার কাছে শুধু একটা খেলা ছিল না। ছিল পরিচিতি, স্বপ্ন আর আবেগ’। সেদিন এই কেরিয়ার কে এ ভাবেই বিদায় জানিয়েছিলেন বাংলার গর্ব স্বপ্না বর্মণ। তাঁর জীবন ছিল উত্থান পতনে ভরা। সাফল্য আর ব্যর্থতা দুটো ই হাত ধরাধরি করে এসেছে। মাঝে মাঝেই চোট ভুগিয়েছে স্বপ্নাকে। সেই চোট কেরিয়ারকে দীর্ঘস্থায়ী হতে দেয়নি। পরবর্তীতে রাজনীতিতে পদার্পণ। বিধানসভা ভোটে দাঁড়ালেও জেতা অধরাই থেকে গেছে। ভোটে যখন লড়তে নেমেছেন, হারিয়েছেন বাবাকে।
২০১৭য় সোনা জয় ভুবনেশ্বরের এশিয়ান গেমসে। পরের বছরই দেশকে গর্বিত করে জাকার্তা এশিয়ান গেমসে হেপ্টাথলনে পেয়েছিলেন সোনা। এরকম ই সাফল্যের মুকুটে অনেক পালকের অধিকারি তিনি। জলপাইগুড়ি কন্যার ইচ্ছে, ভবিষ্যতের স্বপ্নাদের তুলে আনতে আ্যকাডেমি গড়ার।কিন্তু আচমকাই সব থমকে গেছে। কারণ রাজনীতিতে প্রবেশ। আর আ্যকাডেমি! স্বপ্নার উত্তর, আপাতত নিজেকে একটু সময় দিচ্ছি। বাবা চলে যাওয়ার পর এখন অনেক টা সময় কাটছে মায়ের সাথে। দেখা যাক সময় আমাকে কোথায় নিয়ে যায়’।
রাজ্যে এখন নতুন সরকার। বাংলার হয়ে সফল ক্রীড়াবিদের সম্প্রতি আর্থিক পুরষ্কার দিয়েছে রাজ্য। স্বাগত জানালেন স্বপ্না, অত্যন্ত সময়োচিত সিদ্ধান্ত।রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়ে তাঁর বক্তব্য, যারা বাংলা ছেড়ে চলে গেছেন তারা যেন আবার বাংলাতেই ফিরে আসেন।
২০.৯.২৬
