ট্রাম্পের ক্ষমতায় বড় ধাক্কা! আমেরিকার কংগ্রেসের দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে

ট্রাম্পের ক্ষমতায় বড় ধাক্কা! আমেরিকার কংগ্রেসের দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে

 

প্রতিনিধি পরিষদ ও সেনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন বিরোধীদের, মূল্যবৃদ্ধি, ইরান যুদ্ধ ও প্রশাসনিক নীতির বিরুদ্ধে ভোটারদের ক্ষোভের প্রতিফলন

 

দিব্যেন্দু দাস , এডিটর, রঙ নিউজ :

 

মার্কিন রাজনীতিতে বড়সড় পালাবদল। ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে (Midterm Elections) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন রিপাবলিকান পার্টিকে বড় ধাক্কা দিয়ে কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে নিয়েছে বিরোধী ডেমোক্র্যাট পার্টি। প্রতিনিধি পরিষদ (House of Representatives) এবং সেনেট (Senate)—দুই জায়গাতেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছেন ডেমোক্র্যাটরা। এর ফলে ট্রাম্পের দ্বিতীয় প্রেসিডেন্সির বাকি দুই বছরের রাজনৈতিক সমীকরণ সম্পূর্ণ বদলে যেতে চলেছে।

 

৩ নভেম্বর মঙ্গলবার আমেরিকায় অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনকে কার্যত ট্রাম্প প্রশাসনের কাজকর্মের উপর গণভোট হিসেবেই দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। নির্বাচনের ফলাফল বলছে, ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পকে সমর্থন করা বহু ভোটার এবার রিপাবলিকানদের থেকে মুখ ফিরিয়েছেন। বিশেষ করে অর্থনৈতিক চাপ, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, জ্বালানির দাম এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের প্রভাব নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে।

 

কংগ্রেসের দুই কক্ষেই ডেমোক্র্যাটদের জয়

 

আমেরিকার আইনসভা কংগ্রেস দুটি পৃথক কক্ষ নিয়ে গঠিত—সেনেট এবং প্রতিনিধি পরিষদ। আইন প্রণয়ন, সরকারি ব্যয় অনুমোদন, প্রশাসনের উপর নজরদারি এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নিয়োগের ক্ষেত্রে এই দুই কক্ষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকানদের সামান্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল। অন্যদিকে সেনেটেও ৫৩-৪৭ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল রিপাবলিকান শিবির।

 

কিন্তু নির্বাচনের ফলাফল সেই সমীকরণ পাল্টে দিয়েছে।

 

প্রতিনিধি পরিষদের মোট ৪৩৫টি আসনের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে প্রয়োজন ২১৮টি আসন। ডেমোক্র্যাটরা সেই সীমা অতিক্রম করে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করেছে।

 

অন্যদিকে সেনেটের ১০০টি আসনের মধ্যে ডেমোক্র্যাট-সমর্থিত শিবির অন্তত ৫৪টি আসনের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করেছে বলে প্রাথমিক ফলাফলে জানা গিয়েছে। আলাস্কা ও মিসিসিপির মতো কয়েকটি আসনের গণনা নিয়ে তখনও অনিশ্চয়তা ছিল।

 

এই ফলাফলের ফলে ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে নতুন কংগ্রেসের অধিবেশন শুরু হলে আইনসভার দুই কক্ষই ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে।

 

রিপাবলিকানদের দুর্গেও ডেমোক্র্যাটদের জয়

 

এই নির্বাচনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হল, দীর্ঘদিন ধরে রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত একাধিক রাজ্যেও ডেমোক্র্যাটদের সাফল্য।

 

টেক্সাস, সাউথ ক্যারোলাইনা, নর্থ ক্যারোলাইনা, কানসাস, আইওয়া, ওহাইও এবং মেইনের মতো রাজ্যগুলিতে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী সাফল্য পেয়েছে ডেমোক্র্যাটরা।

 

বিশেষ করে কানসাসের ফলাফল রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। প্রায় ৯৪ বছর পর এই রাজ্য থেকে একজন ডেমোক্র্যাট সেনেটর নির্বাচিত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।

 

টেক্সাসেও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সমীকরণে পরিবর্তন এসেছে। ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জেমস তালারিকো সেনেট নির্বাচনে রিপাবলিকান শিবিরকে পরাস্ত করেছেন। একই রাজ্যে গভর্নর নির্বাচনেও ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জিনা হিনোজোসার জয় রাজনৈতিক গুরুত্ব বহন করছে।

 

সাউথ ক্যারোলাইনাতেও ডেমোক্র্যাট প্রার্থী অ্যানি অ্যান্ড্রুজের জয় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এই রাজ্যে ট্রাম্পের উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে জয় হয়েছিল। সেই রাজ্যেই এবার ডেমোক্র্যাটদের সাফল্য রিপাবলিকানদের জন্য বড় রাজনৈতিক ধাক্কা।

 

কেন মুখ ফিরিয়ে নিলেন মার্কিন ভোটাররা?

 

নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ করলে কয়েকটি বিষয় সামনে আসে।

 

১. মূল্যবৃদ্ধি ও জীবনযাত্রার ব্যয়:

 

আমেরিকার সাধারণ মানুষের কাছে জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছিল। খাদ্যপণ্য, জ্বালানি, পরিবহণ এবং দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম নিয়ে অসন্তোষ ছিল। ডেমোক্র্যাটরা নির্বাচনী প্রচারে এই বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়।

 

২. ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ:

 

ইরানের সঙ্গে সংঘাত এবং তার অর্থনৈতিক প্রভাবও নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। জ্বালানির বাজার, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং সামগ্রিক অর্থনীতির উপর যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে মার্কিন ভোটারদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল।

 

৩. ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি:

 

আমদানি শুল্ক বা Tariff Policy নিয়ে প্রশাসনের অবস্থানও বিতর্কের বিষয় হয়ে ওঠে। ডেমোক্র্যাটদের অভিযোগ ছিল, শুল্কনীতির কারণে আমদানিনির্ভর পণ্যের দাম বাড়ছে এবং তার চাপ সাধারণ ক্রেতাদের উপর পড়ছে।

 

৪. প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও দুর্নীতির অভিযোগ:

 

ট্রাম্প প্রশাসনের স্বচ্ছতা, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং তাঁর পরিবারের আর্থিক কার্যকলাপ নিয়েও নির্বাচনী প্রচারে প্রশ্ন তুলেছিল বিরোধীরা। এসব অভিযোগের রাজনৈতিক প্রভাবও নির্বাচনে আলোচনায় এসেছে।

 

৫. তরুণ ও লাতিনো ভোটারদের মনোভাব:

 

Reuters-এর নির্বাচনী বিশ্লেষণ অনুযায়ী, লাতিনো অধ্যুষিত একাধিক এলাকায় রিপাবলিকানদের ভোটের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তরুণ ভোটারদের মধ্যেও ডেমোক্র্যাটদের দিকে সমর্থন বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা গিয়েছে।

 

ট্রাম্প প্রশাসনের সামনে কী কী চ্যালেঞ্জ?

 

নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—এবার কি ট্রাম্পের প্রশাসন কার্যত দুর্বল হয়ে পড়বে?

 

সংবিধান অনুযায়ী, আমেরিকার প্রেসিডেন্টের মেয়াদ চার বছর। কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচনে তাঁর দলের পরাজয় ঘটলেও প্রেসিডেন্টের পদ বা ক্ষমতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে যায় না।

 

অর্থাৎ ট্রাম্প হোয়াইট হাউসেই থাকবেন। তবে তাঁর প্রশাসনের আইন প্রণয়নের ক্ষমতা ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নতুন বাধা তৈরি হতে পারে।

 

এর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক রয়েছে।

 

প্রথমত, আইন প্রণয়নে বাধা: ডেমোক্র্যাটদের সম্মতি ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস করানো রিপাবলিকান প্রশাসনের পক্ষে কঠিন হবে।

 

দ্বিতীয়ত, প্রশাসনিক তদন্ত: প্রতিনিধি পরিষদ ও সেনেটের বিভিন্ন কমিটির মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্ত, সরকারি ব্যয় এবং প্রশাসনিক কার্যকলাপ নিয়ে তদন্তের সুযোগ পাবে বিরোধীরা।

 

তৃতীয়ত, গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগ: সেনেটের অনুমোদন প্রয়োজন এমন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পদে প্রেসিডেন্টের মনোনীত ব্যক্তিদের নিয়োগ আটকে দেওয়ার ক্ষমতা ডেমোক্র্যাটদের হাতে থাকবে।

 

চতুর্থত, বাজেট ও সরকারি ব্যয়: সরকারি বাজেট, বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ বরাদ্দ এবং প্রশাসনিক ব্যয়ের বিষয়ে ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে সমঝোতা করতে হবে রিপাবলিকানদের।

 

পঞ্চমত, অভিশংসনের সম্ভাবনা: ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রক্রিয়া শুরু করার রাজনৈতিক উদ্যোগও নিতে পারে প্রতিনিধি পরিষদ। তবে অভিশংসন প্রস্তাব পাস হওয়া এবং প্রেসিডেন্টকে পদ থেকে অপসারণ করা সম্পূর্ণ আলাদা সাংবিধানিক প্রক্রিয়া।

 

ট্রাম্প কী বলছেন?

 

নির্বাচনের ফলাফল সামনে আসার পর ট্রাম্প পরাজয়ের দায় নিজের উপর নিতে চাননি। তাঁর বক্তব্যে রিপাবলিকান প্রার্থীদের প্রচারের দুর্বলতা এবং প্রার্থী নির্বাচনের বিষয়টি উঠে এসেছে।

 

একই সঙ্গে ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে নির্দিষ্ট বিষয়ে কাজ করার সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছেন তিনি। তবে বিরোধীদের আনা বিলকে নিজের বিবেচনায় গ্রহণযোগ্য না হলে ভেটো দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।

 

অন্যদিকে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের কারণ হিসেবে ইরান যুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে ধরেছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তাঁর বক্তব্যে যুদ্ধের রাজনৈতিক ও নির্বাচনী মূল্য নিয়ে প্রশ্ন উঠে এসেছে।

 

আমেরিকার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ

 

এই নির্বাচনের ফলে ওয়াশিংটনে তৈরি হতে চলেছে Divided Government বা বিভক্ত সরকারব্যবস্থার নতুন পরিস্থিতি। অর্থাৎ প্রেসিডেন্টের পদে থাকছেন রিপাবলিকান নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্প, কিন্তু আইনসভা পরিচালনার দায়িত্ব চলে যাচ্ছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটদের হাতে।

 

এমন পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট ও কংগ্রেসের মধ্যে মতবিরোধ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আমেরিকার সাংবিধানিক ব্যবস্থায় ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে এই পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

 

ডেমোক্র্যাটরা ইতিমধ্যেই আগামী ১০০ দিনের কর্মসূচির কথা জানিয়েছে। তাদের অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্য পরিষেবার ব্যয় কমানো এবং ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের উপর নজরদারি।

 

অন্যদিকে রিপাবলিকানদের সামনে এখন নিজেদের রাজনৈতিক কৌশল পুনর্বিবেচনা করার চ্যালেঞ্জ। ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব এবং নির্বাচনী কৌশল নিয়েও আলোচনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কী প্রভাব পড়তে পারে?

 

আমেরিকা বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতিগুলির অন্যতম এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অত্যন্ত প্রভাবশালী রাষ্ট্র। ফলে এই নির্বাচনের প্রভাব শুধু আমেরিকার অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না।

 

ভারত-আমেরিকা সম্পর্ক, বাণিজ্যনীতি, শুল্ক, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, অভিবাসন এবং আন্তর্জাতিক সংঘাতের মতো বিষয়েও কংগ্রেসের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

 

বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক এবং আমেরিকার শুল্কনীতি নিয়ে ভবিষ্যতে ডেমোক্র্যাট নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেসের অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তবে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ বদলালেই মার্কিন বিদেশনীতি সম্পূর্ণ বদলে যাবে, এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। কারণ বিদেশনীতি নির্ধারণে প্রেসিডেন্ট ও প্রশাসনেরও গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক ক্ষমতা রয়েছে।

 

শেষ কথা

 

২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচন আমেরিকার রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ তৈরি করেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় প্রেসিডেন্সির মাঝপথে এসে ভোটাররা কংগ্রেসের ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দিয়েছেন।

 

এই নির্বাচনের ফলাফল একদিকে যেমন ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ, অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটদের জন্যও এক বিরাট দায়িত্ব। কারণ বিরোধী আসনে বসে সরকারের সমালোচনা করা এবং ক্ষমতায় থেকে বাস্তবসম্মত নীতি কার্যকর করা এক বিষয় নয়।

 

এখন দেখার বিষয়, ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হাতে পেয়ে সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক সমস্যার সমাধানে কতটা কার্যকর ভূমিকা নিতে পারে এবং ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সংঘাতের পরিবর্তে কতটা কার্যকর সমঝোতার পথে এগোয়।

 

আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনের সবচেয়ে বড় বার্তা—হোয়াইট হাউসের ক্ষমতা অক্ষুণ্ণ থাকলেও কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাজনৈতিকভাবে নতুন পরীক্ষার মুখে পড়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *