এবার হাতছানি দিচ্ছে সাইক্লোস্পোরা
দিয়া সাহা , রঙ নিউজ
কলকাতা
এবার উঁকি ঝুঁকি দিচ্ছে সাইক্লোস্পোরা নামের এক পরজীবী জীব। এই পরজীবীর মাধ্যমে ছড়াচ্ছে সাইক্লোস্পোরিয়াসিস নামের একটি অসুখ। এটি মূলত ছড়ায় কাঁচা অপরিশুদ্ধ শাকসবজি ও অপরিষ্কার জলের মাধ্যমে। বর্তমানে এই অসুখ মূলত আমেরিকা থেকেই ছড়াচ্ছে। এই রোগে আক্রান্ত হলেই তাকে সোজা হাসপাতালে ভর্তি হতে হচ্ছে। এটি বিরল রোগ নয়। এটি বেশি ছড়ায় স্যালাড বা টাকো থেকে। এখন এই অসুখ থেকে বাঁচার একটাই উপায় অপরিশুদ্ধ খাবার সবজি না গ্রহণ। বিশেষত, লেটুস পাতা যা স্যালাডে বিশেষ ব্যবহার করা হয়।
তবে, একটা স্বস্তির খবর আছে, এই রোগ হাঁচি কাশির মাধ্যমে ছড়ায় না, মূলত ছড়ায় রোগীর মলের সংস্পর্শে আসা খাবারের মাধ্যমে। আর ছড়ায় বেরী জাতীয় ফল থেকে বা ড্রাই ফ্রুটস থেকে।

এই রোগের উপসর্গ ফুড পয়জনিংয়ের মতোই। যেমন জলের মতো মল হওয়া জলের মতো ডায়রিয়ার মতো। আর কী কী উপসর্গ দেখা দিতে পারে? সংক্রমণের কয়েক দিন পর থেকে এক সপ্তাহের মধ্যে বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দিতে পারে। যেমন, বারেবারে পাতলা পায়খানা হওয়া, পেটব্যথা বা পেটে অস্বস্তি, বমি বমি ভাব বা বমি, ক্ষুধামান্দ্য, অতিরিক্ত ক্লান্তি, ওজন কমে যাওয়া, হালকা জ্বর হয়। এছাড়াও শরীর থেকে জল বেরিয়ে গিয়ে ডিহাইড্রেশন হতে পারে। সোডিয়াম – পটাশিয়াম ইমব্যালেন্স হতে পারে। টানা এমন চলতে থাকলে বিভিন্ন অর্গান বিকল হয়ে মৃত্যুও হতে পারে। মানে যে কারণে কলেরায় মৃত্যু ঘটে।
তাই অবশ্যই যেকোনো কাঁচা শাক সবজি, ফল ভালো করে ধুয়ে তারপর গ্রহণ করতে হবে। 
সংক্রমণের জন্য সবচেয়ে কার্যকর ওষুধ হলো Trimethoprim-Sulfamethoxazole (Co-trimoxazole)। ভারতে এটি Septran DS বা Bactrim DS নামে পাওয়া যায়। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া উচিত নয়। বিশেষ করে যাঁদের সাম্প্রতিক বিদেশ ভ্রমণের ইতিহাস রয়েছে তাদের সতর্ক থাকতে হবে।
