ডুরান্ডে চ্যাম্পিয়ন, এশিয়ার মঞ্চেও ইস্টবেঙ্গল

ডুরান্ডে চ্যাম্পিয়ন, এশিয়ার মঞ্চেও ইস্টবেঙ্গল

রাজশ্রী বন্দ্যোপাধ্যায়

কালচারাল কো-অর্ডিনেটর

রঙ নিউজ

২২ বছরের খরা কাটিয়ে ডুরান্ড কাপের খেতাব ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গলের পুরুষ দল। ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় লাল-হলুদ ব্রিগেড। ম্যাচে দুরন্ত হ্যাটট্রিক করেন এডমুন্ড, অপর গোলটি করেন বিপিন সিং।

একই দিনে এশিয়ার মঞ্চেও দাপট দেখাল ইস্টবেঙ্গলের মহিলা দল। মালয়েশিয়ার লিকাস স্টেডিয়ামে আয়োজক দেশের সাবাহ এফসিকে ২-০ গোলে হারিয়ে AFC উইমেন্স চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মূলপর্বে জায়গা করে নিল ‘মশাল গার্লস’। গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় ইস্টবেঙ্গল। ৬৮ মিনিটে ঘানার অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার অলিভিয়া আনোকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। ৮৭ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান ভারতের সৌম্যা গুগুলথ।

চলতি মরশুমে ইস্টবেঙ্গলে যোগ দেওয়া আনোকে ইতিমধ্যেই দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার হয়ে উঠেছেন। প্রাথমিক পর্বে তাঁর গোলসংখ্যা চার। এর মধ্যে আগের ম্যাচে রোভার্স এফসির বিরুদ্ধে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি।

প্রাথমিক পর্বেও দুরন্ত ছন্দে ছিল ইস্টবেঙ্গল। প্রথম ম্যাচে রাজশাহী স্টারসকে ৪-০ গোলে হারানোর পর রোভার্স এফসিকে ১২-০ গোলে উড়িয়ে দেয় লাল-হলুদ। অন্যদিকে, সাবাহ এফসিও শুরু থেকেই শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে আসে। রোভার্সকে ১৩ গোলে হারানোর পর রাজশাহী স্টারসকে ২-১ গোলে পরাজিত করে মালয়েশিয়ার দলটি।

শেষ ম্যাচে সেই সাবাহকেই ২-০ গোলে হারিয়ে প্রাথমিক পর্বে তিন ম্যাচের তিনটিতেই জয় নিশ্চিত করল ইস্টবেঙ্গল মহিলা দল। টানা দ্বিতীয়বার AFC উইমেন্স চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মূলপর্বে জায়গা করে নিয়ে এশিয়ার মঞ্চে নিজেদের শক্তি আরও একবার প্রমাণ করল ‘মশাল গার্লস’। একদিকে ২২ বছর পর ডুরান্ড জয়, অন্যদিকে মহিলাদের এশীয় সাফল্য—একই দিনে জোড়া খেতাবে উৎসবের আবহ ইস্টবেঙ্গলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *