যন্তর মন্তরে ১২ নভেম্বর অনশনে প্রাক্তন আধাসেনা
রাজশ্রী বন্দ্যোপাধ্যায়
কালচারাল কো-অর্ডিনেটর
রঙ নিউজ
সিএপিএফ আইন বাতিল, পুরনো পেনশন ব্যবস্থা (OPS) পুনর্বহাল এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীতে ডেপুটেশনে থাকা আইপিএস আধিকারিকদের আধিপত্যের প্রতিবাদে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে ‘এক্স প্যারামিলিটারি ফোর্সেস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন’। আগামী ১২ নভেম্বর দিল্লির যন্তর মন্তরে অনশনে বসবেন অবসরপ্রাপ্ত আধাসেনা জওয়ানরা।
মূল ক্ষোভ ৯ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া ‘সিএপিএফ (জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) আইন, ২০২৬’ ঘিরে। সংগঠনের অভিযোগ, নতুন আইনে আইজি পদের ৫০ শতাংশ এবং এডিজি পদের অন্তত ৬৭ শতাংশ ডেপুটেশনে থাকা আইপিএস আধিকারিকদের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে। স্পেশাল ডিজি ও ডিজি পদও আইপিএস ক্যাডারের জন্য রাখা হয়েছে। এর ফলে নিজেদের ক্যাডারের আধিকারিকদের পদোন্নতির সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে এবং বাহিনীতে আমলাতান্ত্রিক আধিপত্য বাড়ছে বলে দাবি সংগঠনের।
সংগঠনের প্রধান রণবীর সিং জানান, আইন বাতিলের দাবিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আগেই চিঠি দেওয়া হলেও সরকারের ইতিবাচক সাড়া মেলেনি। তাঁর অভিযোগ, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার পরিবর্তে ডেপুটেশনে থাকা আমলাদের অগ্রাধিকার দিলে জওয়ানদের আত্মসম্মানের সঙ্গে দায়িত্ব পালন কঠিন হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে পাশ কাটিয়েই আইন আনা হয়েছে বলেও অভিযোগ সংগঠনের।যন্তর মন্তরে ১২ নভেম্বর অনশনে প্রাক্তন আধাসেনা
রাজশ্রী বন্দ্যোপাধ্যায়
কালচারাল কো-অর্ডিনেটর
রঙ নিউজ
সিএপিএফ আইন বাতিল, পুরনো পেনশন ব্যবস্থা (OPS) পুনর্বহাল এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীতে ডেপুটেশনে থাকা আইপিএস আধিকারিকদের আধিপত্যের প্রতিবাদে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে ‘এক্স প্যারামিলিটারি ফোর্সেস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন’। আগামী ১২ নভেম্বর দিল্লির যন্তর মন্তরে অনশনে বসবেন অবসরপ্রাপ্ত আধাসেনা জওয়ানরা।
মূল ক্ষোভ ৯ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া ‘সিএপিএফ (জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) আইন, ২০২৬’ ঘিরে। সংগঠনের অভিযোগ, নতুন আইনে আইজি পদের ৫০ শতাংশ এবং এডিজি পদের অন্তত ৬৭ শতাংশ ডেপুটেশনে থাকা আইপিএস আধিকারিকদের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে। স্পেশাল ডিজি ও ডিজি পদও আইপিএস ক্যাডারের জন্য রাখা হয়েছে। এর ফলে নিজেদের ক্যাডারের আধিকারিকদের পদোন্নতির সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে এবং বাহিনীতে আমলাতান্ত্রিক আধিপত্য বাড়ছে বলে দাবি সংগঠনের।
সংগঠনের প্রধান রণবীর সিং জানান, আইন বাতিলের দাবিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আগেই চিঠি দেওয়া হলেও সরকারের ইতিবাচক সাড়া মেলেনি। তাঁর অভিযোগ, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার পরিবর্তে ডেপুটেশনে থাকা আমলাদের অগ্রাধিকার দিলে জওয়ানদের আত্মসম্মানের সঙ্গে দায়িত্ব পালন কঠিন হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে পাশ কাটিয়েই আইন আনা হয়েছে বলেও অভিযোগ সংগঠনের।
