২০ তৃণমূল সাংসদকে নোটিস সুপ্রিম কোর্টের

২০ তৃণমূল সাংসদকে নোটিস সুপ্রিম কোর্টের

রাজশ্রী বন্দ্যোপাধ্যায়

কালচারাল কো-অর্ডিনেটর

রঙ নিউজ

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরই তৃণমূলের সংসদীয় দলে ভাঙন। তৃণমূলের টিকিটে নির্বাচিত ২০ সাংসদের NCPI-তে যোগদানের অভিযোগে তাঁদের সাংসদপদ খারিজের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার সেই মামলায় কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, পার্থ ভৌমিক, দেব, সায়নী ঘোষ, জুন মালিয়া, ইউসুফ পাঠান-সহ অভিযুক্ত সাংসদদের বক্তব্য জানতে নোটিস জারি করেছে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলীর বেঞ্চ।

তবে এই পর্যায়ে লোকসভা স্পিকার বা সেক্রেটারি জেনারেলকে পৃথক নোটিস দেওয়া হয়নি। কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, তিনি স্পিকারের পক্ষে সওয়াল করছেন এবং সাংসদদের ইতিমধ্যেই নোটিস দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি বাগচী স্পষ্ট করেন, মূল প্রশ্ন নোটিস জারি নয়, বরং নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে দলত্যাগ সংক্রান্ত অভিযোগের নিষ্পত্তি।

তৃণমূলের দাবি, ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের পর দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে ২০ সাংসদ NCPI-এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। তাঁদের নেতৃত্বে রয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। বিদ্রোহী গোষ্ঠীর দাবি, তাঁরা NCPI-এর সঙ্গে সংযুক্ত হয়েছেন এবং সংসদে পৃথক গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া উচিত। অন্যদিকে তৃণমূলের অভিযোগ, এই পদক্ষেপ সংবিধানের দশম তফসিলের দলত্যাগ-বিরোধী আইনের আওতায় পড়ে।

দলের দাবি, স্পিকারের কাছে একাধিকবার আবেদন ও রিমাইন্ডার দেওয়া হলেও সিদ্ধান্ত হয়নি। ২৭ জুলাই লিখিত রিমাইন্ডারের পর ১২ অগস্ট স্পিকারের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করেন অভিষেক। এরপরও নিষ্পত্তি না হওয়ায় শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। আগামী দু’সপ্তাহ পর মামলাটির পরবর্তী শুনানি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *