*উপনির্বাচনের আগে তোলপাড় নন্দীগ্রাম- রেজিনগর*
নবনীতা পাল: রঙ নিউজ
দলীয় নাম ও প্রতীকের মালিকানা নিয়ে দুই গোষ্ঠীর বিরোধের জেরে আপাতত ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং দলের সংরক্ষিত ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ব্যবহারে অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কমিশন।
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় নাম ও নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। দলীয় নাম ও প্রতীকের মালিকানা নিয়ে দুই গোষ্ঠীর বিরোধের জেরে আপাতত ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং দলের সংরক্ষিত ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ব্যবহারে অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কমিশন। ফলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী এবং বিরোধী ঋত গোষ্ঠী কেউই আসন্ন উপনির্বাচনে মূল দলের নাম ও প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না।
কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, দুই গোষ্ঠীকেই পৃথক নাম ও নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে উপনির্বাচনে লড়তে হবে। তবে নিজেদের নতুন নামের সঙ্গে মূল দল, অর্থাৎ ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’-এর সঙ্গে সম্পর্কের উল্লেখ করতে পারবে কি না, সে বিষয়ে কমিশনের নির্দেশে সুযোগ রাখা হয়েছে। এই অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা উপনির্বাচন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। দলীয় নাম ও প্রতীক নিয়ে মূল বিরোধের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হবে পরবর্তী সময়ে।
অনুচ্ছেদ ১৫ অনুযায়ী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পরে
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক বিরোধের জেরে বর্তমানে দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীর দাবি বিবেচনা করতে হচ্ছে। একদিকে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী, অন্যদিকে রয়েছে বিরোধী গোষ্ঠী। দুই পক্ষই নিজেদের দলের বৈধ প্রতিনিধি বলে দাবি করেছে। এই পরিস্থিতিতে প্রতীক সংক্রান্ত নির্দেশের ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বিস্তারিত শুনানি ও প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
কমিশনের বক্তব্য, উপনির্বাচনের আগে মূল বিরোধের সম্পূর্ণ নিষ্পত্তি করার মতো পর্যাপ্ত সময় নেই। তাই আপাতত নির্বাচনে দলীয় নাম ও প্রতীক ব্যবহারের বিষয়টি স্পষ্ট করতে এই অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কমিশন আরও জানিয়েছে, এই নির্দেশকে কোনওভাবেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে গণ্য করা যাবে না।
