সামনে এল ‘ব্ল্যাক হোল স্টার’ বা কৃষ্ণগহ্বর নক্ষত্র

সামনে এল ‘ব্ল্যাক হোল স্টার’ বা কৃষ্ণগহ্বর নক্ষত্র

সুস্মিতা চক্রবর্তী ,রঙ নিউজ

দমদম ক্যান্টনমেন্ট

 

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘নাসা’র জেমস্ ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের পাঠানো তথ্য পর্যবেক্ষণ করে সম্প্রতি এই মহাজাগতিক ঘটনার একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির গবেষক দল। এই গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন ভারতীয় সন্তান, বিজ্ঞানী রোহন নায়ডু।

রোহন জানালেন বৈশিষ্ট্য নক্ষত্রের মতো হলেও এই আলোর উৎস আসলে কোনও নক্ষত্র নয়। এটি আসলে একটি বিশাল কৃষ্ণগহ্বর। যাকে ঘিরে রয়েছে ঘন গ্যাসের স্তর। কৃষ্ণগহ্বরটি থেকে নির্গত শক্তি এই গ্যাসের স্তরের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময়ে আলোর বিচ্ছুরণ ঘটাচ্ছে এবং উজ্জ্বল আলোয় মাখা গ্যাসের আচ্ছাদনে পরিণত হচ্ছে। আকারে সৌরজগতের সমান এই কৃষ্ণগহ্বর।রোহনদের গবেষণার কেন্দ্রে ছিল এমওএম-বিএইচ* ১ নামে কৃষ্ণগহ্বরটি। তাঁদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এর জন্ম মহা বিস্ফোরণ বা বিগ ব্যাংয়ের ৬৬ কোটি বছর পরে। সাধারণ নক্ষত্রের থেকে কয়েক হাজার কোটি গুণ বেশি শক্তি নির্গত হয় এর থেকে। এর বৈশিষ্ট্য নক্ষত্রের মতো হওয়ায় একে কৃষ্ণগহ্বর নক্ষত্র বলছেন বিজ্ঞানীরা।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *