রংপুরে নৃশংস হত্যাকাণ্ড
শাশ্বতী মোদক:Rong News
ঘরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের গোটা পরিবারের সকলকে নৃশংস হত্যার ঘটনা ঘটল বাংলাদেশের রংপুরে। রংপুর মহানগরের কামাল কাছনা মাছুয়াপাড়া গ্রামের এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডটি নাড়িয়ে দিয়েছে তাবৎ বিশ্বকে। তিনতলা বাড়ির দোতলা থেকে উদ্ধার হয় গোটা পরিবারের দেহ। মৃতরা হলেন গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), পুত্র আয়ুষ_চক্রবর্তী (১২) ও কন্যা আগামী চক্রবর্তী (২৫)। শনিবার রাতে ঘর থেকে নিহতদের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিস।
ঘটনার তদন্তে নেমে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুনের ঘটনা বলে প্রাথমিকভাবে মনে করছে পুলিস। হত্যাকাণ্ডের তদন্তে একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের পিছনে কে বা কারা জড়িত, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেফতারের আশ্বাস দিয়েছে পুলিস। রংপুর সিআইডির পরিদর্শক আবু হাসান কবির জানান, পুরো ভবনে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছিল। তাঁদের কেউ হত্যা করেছে। তিনতলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় পুরো পরিবার থাকত। কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি এ কে এম নাজমুল কাদের বলেন, মনে করা হচ্ছে যে, দু-তিন দিন আগে ওই হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
হিন্দুরা বাংলাদেশে সংখ্যালঘু। সেখানে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা কোথায় এই নিয়ে বড়োসড়ো প্রশ্ন উঠছে সব মহলে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বারবার সংখ্যালঘু নিরাপত্তার কথা বলেও, প্রশাসনিক স্তরে অর্থাৎ সাংসদ মন্ত্রীত্বতে সংখ্যালঘু মুখ বসিয়েও সংখ্যালঘু নিরাপত্তায় পুরোপুরি ব্যর্থ সরকার বলে ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন সে দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়। উপরের চেহারা আর ভিতরের চেহারা দুই রূপ কেন, মুখ আর মুখোশে কতদিন চলবে বলে সরকারের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলছেন বাংলাদেশের হিন্দুরা।
