ছাত্রছাত্রীদের সাহিত্যমুখী করতে ‘পদাতিক’ পত্রিকার উদ্যোগ

Views: 154
0 0

ছাত্রছাত্রীদের সাহিত্যমুখী করতে ‘পদাতিক’ পত্রিকার উদ্যোগ

তৃণা মুখোপাধ্যায় , Rong News

সস্তায় ইণ্টারনেট ও হাতে দামি মোবাইল সহ বিভিন্ন কারণে গত কয়েক বছর ধরে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে সাহিত্যচর্চার ক্ষেত্রে ব্যাপক অনীহা দেখা যাচ্ছে। বাংলা সাহিত্যচর্চার এটি বড় বেমানান। একটা সময় প্রায় প্রতিটি বাড়িতে শোভা পেত একাধিক শিশু সাহিত্য। এবার সেই ছাত্রছাত্রীদের সাহিত্যমুখী করতে অভিনব উদ্যোগ নিল ‘পদাতিক’ সাহিত্য পত্রিকা।

 

মাত্র তিন বছর আগে সাহিত্য জগতে পা রেখেছে সাহিত্য পত্রিকাটি। ইতিমধ্যেই নবীন-প্রবীণ কবি-সাহিত্যিকদের কলমে সমৃদ্ধ হয়ে পত্রিকাটি বাংলা সাহিত্য প্রেমী মানুষদের মনে তারা একটা আলাদা জায়গা করে নিয়েছে। শুভাকাঙ্খীদের ভালোবাসা ও সহযোগিতাকে পাথেয় করে তৃতীয় বর্ষে এক অভিনব উদ্যোগ নিল পত্রিকাটি।

এবার পত্রিকাটির নতুন সংযোজন ‘স্কুল পড়ুয়া বিভাগ’। এই বিভাগে প্রথম থেকে দশম শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীরা তাদের অপরিণত কলমের পরিণত সৃষ্টি নিয়ে হাজির হতে পারবে। প্রবীণদের পাশাপাশি তাদের লেখা গল্প, কবিতা, ভ্রমণ কাহিনী সবকিছুই এখানে স্হান পাবে।

 

নিছক পরিকল্পনা বা ভাবনা নয় সেটা বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য ‘পদাতিক’ কর্তৃপক্ষ মাঠে নেমে পড়েছে। ছাত্রছাত্রীদের উৎসাহ দেওয়ার জন্য টাকি হাউস (বয়েজ), টাকি হাউস (গার্লস), ব্রাহ্ম বালিকা শিক্ষালয়, সংস্কৃত কলেজিয়েট স্কুল, কুমার আশুতোষ, দমদম গার্লস, ভিক্টোরিয়া, মিত্র ইনস্টিটিউট, স্কটিশচার্চ, সরস্বতী বালিকা বিদ্যালয়, শৈলেন্দ্র সিরকার সহ একাধিক বিদ্যালয়ে সেমিনারের আয়োজন করেছে। পাঠ্যপুস্তকের পাশাপাশি অন্যান্য বই পড়ার অভ্যাসের গুরুত্ব তাদের বুঝিয়ে বলা হয়েছে।

 

পত্রিকার সম্পাদক আকাশ অব্যয় পাইন বললেন – একটা সময় পাড়ায় পাড়ায় পাঠাগার দেখেছি। সমস্ত বয়সের পাঠকের ভিড় সেখানে লেগেই থাকত। ধীরে ধীরে পরিস্থিতির পরিবর্তন হলো। অল্প বয়স থেকেই শিশুদের ‘র‍্যাট রেস’ প্রতিযোগিতায় নামিয়ে দেওয়া হলো। হাতে এলো স্মার্টফোন। অনলাইন গেমে মেতে উঠল তারা। বই পড়া ও লেখার অভ্যাস তারা ভুলে গেল। অভিভাবকদের একাংশ সেটাই শ্রেষ্ঠ পথ বলে মনে করল। আমাদের লক্ষ্য বর্তমান সমাজে আবার বই পড়ার অভ্যাস ফিরিয়ে আনা। সাহিত্যের মূল ধারার সঙ্গে তাদের উৎসাহ বাড়িয়ে তোলা।আমরা বিশ্বাস করি ভবিষ্যতে এদের মধ্যে থেকেই হয়তো সাহিত্য জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্রের আগমন ঘটবে। তিনি আরও বললেন – আমাদের পরবর্তী পরিকল্পনা আরো বহু বিদ্যালয়ে সেমিনারের মাধ্যমে পড়ুয়াদের মধ্যে সৃষ্টিশীলতার বীজ বপন করা, সাহিত্য তথা শিল্প মেলার আয়োজন করা, নতুন প্রতিভাকে জনসমক্ষে পরিচয় করানো এবং পুনরায় সাহিত্য এবং শিল্প রসের স্বাদাস্বাদন করানো। আমরা আশাবাদী, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে নবীন-প্রবীণের সহপ্রচেষ্টায় পুনরায় বাংলার সাহিত্য-শিল্প-সংস্কৃতি সমৃদ্ধ হবে।

 

 

 

Sub Editor- Ramananda Das

Editor- Dibyendu Das

Editor in chief- Rakesh Sharma

Happy
Happy
0
Sad
Sad
0
Excited
Excited
3
Sleepy
Sleepy
0
Angry
Angry
0
Surprise
Surprise
0

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *