বাবাকে হারিয়ে শোকে মেসি, তার মধ্যেই বোমা-হুমকি
রাজশ্রী বন্দ্যোপাধ্যায়
কালচারাল কোঅর্ডিনেটর
রঙ নিউজ
লিওনেল মেসির বাবা হোর্হে মেসি প্রয়াত। দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৬৮ বছর বয়সে জীবনযুদ্ধ থামল তাঁর। মেসির ফুটবলজীবনের শুরু থেকে সাফল্যের শিখরে পৌঁছনো—প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পর্বেই ছেলের পাশে ছিলেন হোর্হে।
মেসি যখন বিশ্বকাপে খেলছিলেন, তখনও গুরুতর অসুস্থ ছিলেন তাঁর বাবা। আলজিরিয়া ম্যাচের পর বাবার প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি আর্জেন্টাইন তারকা। সেই সময় মেসি পরিবারের তরফে জানানো হয়েছিল, শারীরিক সমস্যার কারণে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন হোর্হে। রোজারিওর একটি ক্লিনিকেই চলছিল তাঁর চিকিৎসা। দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগের সঙ্গে লড়াই করছিলেন তিনি। পরে চিকিৎসায় সমস্যা দেখা দিয়েছে বলেও খবর ছড়িয়েছিল। যদিও বিষয়টি নিয়ে পরিবারের তরফে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।
রোজারিও থেকে বার্সেলোনার লা মাসিয়া অ্যাকাডেমিতে মেসির ফুটবল-যাত্রা শুরু। সেখান থেকে আর্জেন্টিনার জার্সিতে বিশ্বমঞ্চ—এই দীর্ঘ পথচলায় ছেলের পাশে ছিলেন হোর্হে। শুধু বাবা হিসাবেই নয়, এক সময় মেসির এজেন্টের দায়িত্বও সামলেছেন তিনি।
বিশ্বকাপের পর মেজর সকার লিগে ইন্টার মায়ামির হয়ে মাঠে নেমে জোড়া গোল করেছিলেন মেসি। বিশ্বকাপের দুরন্ত ছন্দও ধরে রেখেছিলেন। কিন্তু বাবার মৃত্যুতে নিঃসন্দেহে শোকস্তব্ধ মেসি এবং তাঁর পরিবার।
এরই মধ্যে মেসিকে ঘিরে সামনে এসেছে আরও এক আতঙ্কের খবর। একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, সমাজমাধ্যমে এক ব্যক্তি মেসিকে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে হত্যার হুমকি দিয়েছিলেন। তাঁর দাবি ছিল, আটলান্টা স্টেডিয়ামে গিয়ে শরীরে বাঁধা চারটি বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে মেসিকে হত্যা করবেন তিনি।
অন্য একটি ঘটনায় ডালাস বিমানবন্দরে ফোন করে জানানো হয়, ওই ব্যক্তি এবং তাঁর দুই সঙ্গী ঘরে তৈরি বোমা ও এআর-১৫ রাইফেল নিয়ে স্টেডিয়ামের দিকে রওনা দিয়েছেন। পুলিশের পাশাপাশি ফুটবলারদেরও নিশানা করা হবে বলে ওই বার্তায় দাবি করা হয়েছিল। সম্ভাব্য নিশানার তালিকায় ছিল মেসির নামও।
