নেতা গড়ার স্কুল ভারতে
সোমনাথ মুখোপাধ্যায়:Rong News

নেতা গড়বে স্কুল। পোশাকি নাম ‘soul’ বা স্কুল অফ্ আল্টিমেট লিডারশিপ। সেই লক্ষ্যে গুজরাটে গড়ে উঠতে চলেছে ভবিষ্যত নেতৃত্ব তৈরির স্কুল। সেখানে প্রশিক্ষণ নেবেন আগামী দিনের নেতারা। জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিজস্ব পরিকল্পনার ফসল সম্পূর্ণরূপে বেসরকারি এই প্রতিষ্ঠান। শুক্রবার দিল্লিতে এই প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এই প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে আর্থিক সহায়তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপতিরা। জানা গিয়েছে ২০২৭ সালের মার্চ মাস থেকে পুরোদমে চালু হবে এই প্রতিষ্ঠান।
২০২৪ সালে স্বাধীনতা দিবসের আগে ভবিষ্যত প্রজন্মের মধ্যে থেকে রাজনৈতিক নেতৃত্ব তৈরির কথা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখে পরিকল্পনা মোতাবেক গড়ে উঠছে নেতা তৈরির স্কুল। সেখানে রীতিমতো রাজনীতি, সমাজনীতি, জননীতি নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে ভবিষ্যত নেতাদের। সেখান থেকেই উঠে আসবে ভবিষ্যত নেতৃত্ব। সেই অনুযায়ী গুজরাটে ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ২২ একর জমিতে গড়ে উঠছে নেতা তৈরির স্কুল। প্রথমে স্বল্প সময়ের কর্মশালা ও সেমিনারের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ শুরু হবে। পরবর্তীতে শুরু হবে ৯ মাস থেকে ১২ মাসের মেয়াদি পাঠক্রম। আরও জানা গিয়েছে, এই প্রতিষ্ঠান পুরোপুরি বেসরকারি অনুদান, ট্রাস্ট ও কর্পোরেট ফান্ডিং দ্বারা পরিচালিত হবে। প্রতিষ্ঠানের কার্যনির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান হচ্ছেন দেশের প্রাক্তন অর্থ সচিব হাসমুখ আধিয়া যিনি বর্তমানে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেলের প্রধান উপদেষ্টা। জানা গিয়েছে, এই প্রতিষ্ঠানকে আর্থিকভাবে মজবুত করে গড়ে তুলতে এগিয়ে এসেছেন দেশের বিশিষ্ট শিল্পপতি এইডিএফসির প্রাক্তন চেয়ারম্যান দীপক পারেখ, সান ফার্মার ম্যানেজিং ডিরেক্টর দিলীপ সাংভি, জাইডাস লাইফ সায়েন্সের চেয়ারম্যান পঙ্কজ প্যাটেল। এছাড়াও এই প্রতিষ্ঠানে টাকা ঢালবেন জিন্দাল গোষ্ঠীর সজ্জন জিন্দাল, কোটাক মাহিন্দ্রা ব্যাঙ্কের উদয় কোটাক।

সূত্রের দাবি, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বংশ পরম্পরা ও জাতপাতের রাজনীতির প্রভাব কমিয়ে মেধা ও নিষ্ঠার ভিত্তিতে নেতা তৈরি করা হবে। মনে করা হচ্ছে, এইভাবে যোগ্যতা ও জনসেবার মানসিকতা সম্পন্ন ভবিষ্যত নেতৃত্ব উঠে আসবে।
সাব এডিটর – অনুরাধা ভট্টাচার্য্য শর্মা, রামানন্দ দাস, প্রতীক চ্যাটার্জী
ম্যানেজার – বুবুন মাইতি
এডিটর – দিব্যেন্দু দাস
এডিটর ইন চিফ – রাকেশ শর্মা
