জানলে অবাক হবেন
‘মহালয়া ‘ কন্ঠ দাতার- অজানা তথ্য
সুমিতা পয়ড়্যা ; রঙ নিউজ
“আশ্বিনের শারদপ্রাতে বেজে উঠেছে আলোক মঞ্জীর; ধরণীর বহিরাকাশে অন্তরিত মেঘমালা; প্রকৃতির অন্তরাকাশে জাগরিত জ্যোতির্ময়ী জগন্মাতার আগমন বার্তা। আনন্দময়ী মহামায়ার পদধ্বনি অসীম ছন্দে বেজে উঠে রূপলোক ও রসলোকে আনে নব ভাবমাধুরীর সঞ্জীবন। তাই আনন্দিতা শ্যামলীমাতৃকার চিন্ময়ীকে মৃন্ময়ীতে আবাহন। আজ চিৎ-শক্তিরূপিনী বিশ্বজননীর শারদ-স্মৃতিমণ্ডিতা প্রতিমা মন্দিরে মন্দিরে ধ্যানবোধিতা।”
যার কণ্ঠস্বরে আপামোর বাঙালি আবেগতাড়িত হয়ে পড়ে, হৃদয়ে অন্যরকমের এক উন্মাদনা কাজ করে—যার আজও কোনরকম বিকল্প খুঁজে পাওয়া যায়নি।
মহালয়ার চন্ডীপাঠ প্রজন্মের পর প্রজন্ম যাঁর কন্ঠে শুনে আসছে তিনি হলেন বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র। তার কন্ঠ বা স্বরের অদ্ভুত এক মাদকতা আছে।বলা চলে এক জাদু আছে।
তার কণ্ঠে মহালয়া শোনেন না এমন একজনও আছেন কিনা সন্দেহ আছে!
কিন্তু প্রায় অনেকেই জানেন না যে— কলকাতার পাশাপাশি এই মহান ব্যক্তি বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের আরও একটি বাগানবাড়ি ছিল উত্তর ২৪ পরগনা জেলার দত্তপুকুরে। 
১৯৩০-সাল থেকে দীর্ঘদিন অল ইন্ডিয়া রেডিও বেতারে সম্প্রচারকের কাজ করেছেন। দত্তপুকুর এক নম্বর পঞ্চায়েতে তার বাগানবাড়িটি আজও ভগ্নপ্রায় অবস্থাতেও অক্ষত অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয় এলাকায় গেলে শোনা যায়, সেই সময় থেকে এই বাড়িটির দেখভাল করতেন এক সংখ্যালঘু পরিবার— যারা প্রাণ দিয়ে আগলে রেখেছেন এই বাড়িটিকে।সেই পরিবারের চতুর্থ প্রজন্ম আজও ওই বাড়িটির দেখভাল করে চলেছেন। সেই সুবাদে জানা যায়, তিনি অবসরকালীন সময়ে এখানে এসেই বেশিরভাগ সময় থাকতেন। শুধু তাই নয়, নাট্যচর্চা, সংগীত চর্চার পাশাপাশি সবরকম প্রশিক্ষণ দত্তপুকুরের এই বাড়িতেই হত।
Sub Editor – Ramananda Das, Prateek Chaterjee
Manager – Bubun Maity
Editor – Dibyendu Das
Co Editor-Anuradha Bhattacharya
Editor in chief – Rakesh Sharma
