কিংবদন্তির মৃত্যু হয় না

Views: 72
1 0

কিংবদন্তির মৃত্যু হয় না

 

(পি কে ব্যানার্জির প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধার্ঘ)

 

অমিতাভ গঙ্গোপাধ্যায়:রঙ নিউজ

 

সারা ভারতবর্ষে সর্ব ভারতীয় স্তরে যে কয়জন খেলোয়াড় তথা কোচ এসেছেন,তার মধ্যে প্রথমেই যে নামটি মনে পড়ে সেটি হল ‘প্রদীপ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় ‘ সংক্ষেপে পি.কে.ব্যানার্জী। এক কথায় বলা যায় অবিসংবাদিত কোচ। খেলোয়াড় জীবনে নিজে ছিলেন অসাধারণ এক ফুটবলার। রোম অলিম্পিকে ভারতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন। ফ্রান্সের বিরুদ্ধে করেছিলেন একটি অসাধারণ গোল। সেই পি.কে তাঁর সময়ে খেলার গল্প বলতে গেলে সব সময়ে নিজের চেয়েও এগিয়ে রাখতেন তাঁরই সতীর্থ আর এক কিংবদন্তি চুনিদাকে (চুনি গোস্বামী)। এতটাই মহৎ মনের মানুষ ছিলেন।তিনি বলতেন “গোঁসাই” (চুনি গোস্বামী কে এই নামে ডাকতেন)ছিল আলাদা মানের ফুটবলার”। হাঙ্গেরির একঝাঁক বিশ্বকাপার ভরা টিম তাতাবানিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর করা দুর্দান্ত গোল আজও অসংখ্য ফুটবলমোদির চোখে ভাসে।

 

ছিল দুর্দান্ত রসবোধ, তেমন ছিল ফুটবলের অভিনিবেশ ও পান্ডিত্য। কোন অবস্থাতেই হতাশ হতেন না। এতটাই ইতিবাচক ছিলেন। আর ম্যান ম্যানেজমেন্টে প্রদীপদা একশোতে একশ পাবেন।কোন ফুটবলারকে কোন যায়গায় আঘাত করলে সে বাঘের মত জেগে উঠবে। গৌতম সরকার, কৃশানু দে, বিকাশ পাঁজি, সুধীর কর্মকার, সুকল্যাণ ঘোষদস্তিদার, সুভাষ ভৌমিক প্রমুখ একঝাঁক প্রতিভাবান খেলোয়াড় তো ময়দান কাঁপিয়েছেন তাঁর হাত ধরেই। কলকাতা ময়দানে তিনি বিরলের মধ্যেও বিরলতম কোচ। যিনি চচ্চড়ি র মশলা দিয়েও বিরিয়ানি রাঁধতে পারতেন (পি.কের প্রিয় উক্তি)। চিমার মত মেজাজি ফুটবলারককেও তিনি হাতের মুঠোয় রেখেছিলেন ভালবাসা ও কড়া শাসনের মাধ্যমে।

তাই আজকের দিনে এই মহান ব্যক্তি সম্পর্কে বলতে গিয়ে বলতে ইচ্ছে করছে”সত্যিই কী কিংবদন্তির মৃত্যু হয়”!

 

 

 

 

 

 

সাব এডিটর – অনুরাধা ভট্টাচার্য্য শর্মা, সোমনাথ মুখোপাধ্যায়,প্রতীক চ্যাটার্জী

ম্যানেজার – বুবুন মাইতি

এডিটর – দিব্যেন্দু দাস

এডিটর ইন চিফ – রাকেশ শর্মা

Happy
Happy
0
Sad
Sad
0
Excited
Excited
0
Sleepy
Sleepy
0
Angry
Angry
0
Surprise
Surprise
0

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *