*এটা প্রাতিষ্ঠানিক খুন, আর.জি.কর কেসে বোমা ফাটালেন তিলোত্তমার মা*
নবনীতা পাল:Rong News
কলকাতা হাইকোর্টে গত সোমবার শুনানির পর কিছুটা হলেও আশ্বস্ত হয়ে তিলোত্তমার মা বলেন, “বারবার চেষ্টা করেও আমরা সিবিআইকে বোঝাতে পারিনি এটা প্রাতিষ্ঠানিক খুন। এটা ধর্ষণের মোটিভ ছিল না, খুন করাই ছিল উদ্দেশ্য। হাসপাতালে জাল ওষুধের দুর্নীতি সে জেনে ফেলেছিল, এত রোগীর মৃত্যুর প্রতিবাদ জানিয়েছিল, সেই কারণে খুন করা হয়েছে। এটা সিবিআইকে বারবার বলা সত্ত্বেও তদন্তের অধীন আনেনি। এবার হয়তো সিবিআই নড়েচড়ে বসবে।”
গত সোমবারের শুনানির পর সিবিআই নড়েচড়ে বসবে এই আশা করলেও, রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে তিলোত্তমার পরিবার। নির্যাতিতার বাবা বলেন, “রাজ্য সরকার একদিকে বলছে ফের তদন্তে তাঁদের কোনও আপত্তি নেই। আবার অন্যদিকে আইনের দিক থেকে বাধা দেখাচ্ছে। তারা যে ঠিক কী কথা বলতে চাইছে, সেটা স্পষ্ট করে বলছে না। সেই ৯ তারিখ থেকে রাজ্য সরকারের যে চরিত্রটা দেখে আসছি, সেটা এখানেও তুলে ধরলেন।”
আরজি কর ধর্ষণ খুন কাণ্ডে সিবিআই তদন্ত নিয়ে আগেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল নিহত তরুণী চিকিৎসকের পরিবার। সেই কারণে আরও তদন্ত চান তাঁরা। এদিন শুনানি শেষে তিলোত্তমার বাবা বলেন, “এখনও আমাদের ৫৪টা প্রশ্নের উত্তর অধরা। তার জবাব পেতে চাই। আদালত কীভাবে সেই প্রশ্নের জবাব দেবে সেটা আদালতকেই ভাবনাচিন্তা করতে হবে। বিচারপতি আজ যে কথা বলেছেন, তাতে বোঝাই গিয়েছে, তিনি ভাবনাচিন্তা শুরু করে দিয়েছেন।”
তিলোত্তমার পরিবারের আইনজীবী শামিম আহমেদের গলাতেও শোনা গিয়েছে একই সুর। তিনি দাবি করেন, “রাজ্য সরকার আসলে চাইছে না তদন্ত হোক। সেই কারণে তারা বলছে, ফের তদন্ত হলে তাদের কোনও অসুবিধা নেই, কিন্তু আইনে অসুবিধা আছে। একথা বলার মাধ্যমে আসলে এটাই বোঝাতে চাইছে তারা। রাজ্য এই মামলার ইতি চাইছে, বিচার নয়। সিবিআইয়ের কাছে আদালত জানতে চেয়েছে, যে ইস্যুগুলো উঠে এসেছে, গণধর্ষণের অভিযোগ সহ, সেগুলি তদন্ত করে খতিয়ে দেখা হয়েছে কিনা।”
সাব এডিটর – অনুরাধা ভট্টাচার্য্য শর্মা, সোমনাথ মুখোপাধ্যায়,প্রতীক চ্যাটার্জী
ম্যানেজার – বুবুন মাইতি
এডিটর – দিব্যেন্দু দাস
এডিটর ইন চিফ – রাকেশ শর্মা
