গরমে অতিরিক্ত হাত ঘামছে? ঘরোয়া টোটকায় কী ভাবে অতি সহজেই মুক্তি পাবেন এই সমস্যা থেকে?

Views: 162
0 0

*গরমে অতিরিক্ত হাত ঘামছে? ঘরোয়া টোটকায় কী ভাবে অতি সহজেই মুক্তি পাবেন এই সমস্যা থেকে?*

 

নবনীতা পাল: Rong News

 

প্রচণ্ড গরমে যাঁরা বাইরে বেরয় তাঁদের ঘাম হওয়াটা স্বাভাবিক। যাঁরা ঘরে থাকেন তাঁদের পক্ষেও তো ২৪ ঘণ্টা এসির হাওয়া খাওয়া সম্ভব নয়। শরীরের ঘামের পাশাপাশি অনেকের একটা সমস্যা হয় গরমে অতিরিক্ত হাত ঘেমে যায়। ফলে লেখালেখি করতে অসুবিধা হয়। ট্রেনে-বাসে হ্যান্ডেল ধরতেও সমস্যা তৈরি হয়। হাতের ঘাম থেকে রক্ষা পাওয়ার প্রতিকার তো আছেই। তার আগে জেনে নিতে হবে কেন হাতে ঘন ঘন ঘাম হয়।

 

এর অন্যতম কারণ হল হাইপারহাইড্রোসিস। এতে শরীরের ঘর্ম গ্রন্থিগুলি থেকে অতিরিক্ত ঘাম উৎপন্ন হয়, যা হাত ও পায়ের উপর বেশি প্রভাব ফেলে। অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা উদ্বেগের কারণেও হাতে ঘাম হয়। গ্রীষ্মকালে বাতাসে অতিরিক্ত আর্দ্রতার জন্য বেশি ঘাম হয়। আরও একটি কারণ থাইরয়েডের সমস্যা। গরমে যদি অতিরিক্ত মশলাদার খাবার এবং ক্যাফেইন গ্রহণ করা হয় তাহলে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। ফলে অতিরিক্ত ঘাম হয়।

 

এবার আলোকপাত করা যাক হাতের ঘাম কমনোর পদ্ধতিতে। ঘরোয়া জিনিসেই এর থেকে নিস্তার পাওয়া যায়। হাতে অ্যান্টিপারস্পাইরেন্ট লাগালে ঘর্ম গ্রন্থি নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে ঘাম কম হয়। বেকিং সোডা ঘরেই থাকে। আর এই বেকিং সোডাতেই রয়েছে অ্যান্টিপারস্পাইরেন্ট। এটি জলে মিশিয়ে হাতে লাগালে ঘাম কম হয়। ঠান্ডা পুদিনা ও নিমের জল দিয়ে হাত ধুলেও ঘাম কম হয়। প্রত্যেকের ঘরেই ট্যালকম পাউডার থাকে।

 

এটি হাতে লাগালে ঘাম শুষে নেয়। ফলে হাত শুষ্ক থাকে। হাতের ঘাম কমাতে ট্যালকম পাউডারের সত্যিই জুড়ি মেলা ভার। যোগব্যায়াম ও ধ্যানের মাধ্যমে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। হাতের ঘাম কমাতে সাহায্য করে প্রাণায়াম। অনুলোম-বিলোম এবং কপালভাতির মতো গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে, যার ফলে ঘামও কম হয়।

 

অনেক সময় টেনশন বা মানসিক চাপ বেশি হলে ঘাম বেশি হয়। যাদের হাতের তালু ঘেমে যাওয়ার সমস্যা রয়েছে তাঁদের ক্ষেত্রে সেটি আরও বেশি হয়। এর থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত ধ্যাবন করলে ভাল ফল পাওয়ার সম্ভবনা থাকে। ধ্যান করলে মানসিক চাপ এবং উদ্বেগ কমে। ফলে ঘামের সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। গরমে ঘাম হওয়া স্বাভাবিক ব্যাপার হলেও, অতিরিক্ত ঘাম হওয়া আবার মোটেই ভাল নয়। এই সমস্যা যদি ক্রমাগত চলতেই থাকে তাহলে কিন্তু, সেটি হাইপারহাইড্রোসিসের লক্ষণ হতে পারে। সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নিতে হবে, ঘরোয়া প্রতিকার এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রনে রেখে এই সমস্যা সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সাব এডিটর – অনুরাধা ভট্টাচার্য্য শর্মা, সোমনাথ মুখোপাধ্যায়,প্রতীক চ্যাটার্জী

ম্যানেজার – বুবুন মাইতি

এডিটর – দিব্যেন্দু দাস

এডিটর ইন চিফ – রাকেশ শর্মা

Happy
Happy
0
Sad
Sad
0
Excited
Excited
0
Sleepy
Sleepy
0
Angry
Angry
0
Surprise
Surprise
0

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *