শতবর্ষের আলোয় কণিকার স্মৃতি অভিলেখ্যাগার।।
অমিতাভ গঙ্গোপাধ্যায়:রঙ নিউজ
আগামী ১২ই অক্টোবর শতবর্ষ পূর্ণ হোতে চলেছে সঙ্গীতশিল্পী কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেই উপলক্ষ্যে আগামী সেপ্টেম্বর মাসের গোড়ায় শিল্পীর বাড়ি ‘আনন্দধারা,’খুলে দেওয়া হবে সাধারণ মানুষের জন্য। কয়েকটি ঘর এবং বারান্দা নিয়ে তৈরি করা হয়েছে শিল্পী কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্মৃতি অভিলেখ্যাগার।পুরো অভিলেখ্যাগারটি পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।তাঁর ব্যাবহৃত ব্যক্তিগত সামগ্ৰী,ছবি,তৎসহ বইপত্র, সম্মাননা এবং মানপত্র থাকবে এখানে।তিনি প্লেব্যাক করেছিলেন থাকবে সেইসব জিনিসের ফিল্মি পোষ্টার ও।
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ এবং শান্তিনিকেতনের সঙ্গে বাংলা ও বাঙালির যে অনুভব জড়িত তার এক চিলতে স্বাদও পাওয়া যাবে এই মিউজিয়ামে।’গানের ভূবন'(বারান্দা) দিয়ে দর্শকরা প্রবেশ করবেন।তারপর ‘নৈবেদ্য’নিবেদন কক্ষ বা বৈঠক খানা থাকছে।এরপর দর্শকরা দেখতে পাবেন ‘নির্জন এককের গান’বা শয়নকক্ষ। শতবর্ষ কমিটির সম্পাদক সৈকত সিনহা রায়ের বক্তব্য’আমরা জনসাধারণের কাছে আবেদন রাখছি পাশে থাকার জন্য। এখানে প্রবেশ মূল্য রাখা হয়েছে মাত্র ৩০টাকা।কারণ এত কিছু রক্ষা করার জন্য প্রয়োজন অর্থের।’মঙ্গলবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল দশটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত খোলা থাকবে এই মিউজিয়াম।
‘আনন্দধারা’ বাড়িটি রবীন্দ্র সঙ্গীত ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় স্বাক্ষর হয়ে রয়েছে।বহু গুণীজন ব্যক্তির পদচিহ্ন এবাড়ির আনাচে-কাণাচে ছড়িয়ে রয়েছে। লতা মঙ্গেশকর, পন্ডিত রবিশঙ্কর, হেমন্ত মুখোপাধ্যায় — সঙ্গীত জগতের এমন অনেক মহীরুহের মত চলচ্চিত্র, সাহিত্য,ক্রীড়া, রাজনীতি এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষ এই বাড়িতে এসেছেন।
কণিকা এবং বীরেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যবহৃত বাড়ির পুরনো আসবাব দিয়েই আপাতত সাজানো হয়েছে এই মিউজিয়াম। কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যবহৃত শাড়ী, বটুয়া,চশমা,পানের বাটা এই রকম নানা টুকিটাকি জিনিষ থাকছে এই সংগ্ৰহশালায়। শিল্পীর ব্যবহৃত বিভিন্ন মিউজিক ইনস্ট্রুমেন্ট থাকছে এখানে। থাকছে তার ব্যবহৃত গানের খাতা, বিশিষ্ট জনেদের চিঠিপত্র ইত্যাদি।
তাই আর মাত্র কয়েক দিনের অপেক্ষা…..
২৭.০৮.২৪
সাব এডিটর – অনুরাধা ভট্টাচার্য্য শর্মা, রামানন্দ দাস, প্রতীক চ্যাটার্জী
ম্যানেজার – বুবুন মাইতি
এডিটর – দিব্যেন্দু দাস
এডিটর ইন চিফ – রাকেশ শর্মা
